পরিষদ কক্ষে শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধেগাইবান্ধা প্রতিবেদক: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষিকা আদালতে মামলা করেছেন। সম্প্রতি এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী নারী (৩৩) ওই ইউনিয়নের বৈষ্ণবদাস গ্রামের বাসিন্দা এবং ছান্দিয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম (৪০) রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বৈষ্ণবদাস গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। এছাড়া এ মামলায় আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। তার নাম সালেহীন আকন্দ (২৪)। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে তিনি চেয়ারম্যানকে বিভিন্ন সময়ে প্রায় তিন লাখ টাকা দেন। কিন্তু পরবর্তীতে চেয়ারম্যান বিয়ের বিষয়ে নানা টালবাহানা শুরু করেন। এ নিয়ে চাপ সৃষ্টি করলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো এবং সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া শিক্ষিকার অভিযোগ, তার ব্যক্তিগত কিছু ছবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তাকে সামাজিক হেয় করার উদ্দেশ্যেই এসব অভিযোগ করা হয়েছে। নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গাইবান্ধা জজ কোর্টের বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট রেজওয়ান সরকার বলেন, ভূক্তভোগী নারী একজন সহজ সরল। তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে চেয়ারম্যার রবিউল ইসলাম শারীকভাবে মেলামেলা করেছে। এমনকি এই নারীর স্বামীকেও তালাক দিতে বাধ্য করেছেন এই চেয়ারম্যান। আমরা আশাবাদী ন্যায় বিচার পাব।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
0
মন্তব্যসমূহ
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
Categories
Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's.
0 মন্তব্যসমূহ