অসচেতনতায় পথের কাঁটা কলার খোসা: রাস্তায় বাড়ছে মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আমাদের অসচেতনতার কারণে নিত্যদিনের খুব সাধারণ একটি বিষয়ও কখনো কখনো মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কলা খাওয়ার পর এর খোসাটি (ছাল) ডাস্টবিনে না ফেলে যত্রতত্র বা রাস্তায় ছুড়ে ফেলার মানসিকতা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এটিকে সাধারণ আবর্জনা মনে হলেও ব্যস্ত রাস্তায় এটি তৈরি করছে ভয়াবহ জীবননাশের ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ।
রাস্তায় কলার খোসা ফেলার মারাত্মক ঝুঁকি ও সমস্যাসমূহ।
পথচারীদের পা হড়কে যাওয়া ও পঙ্গুত্ব: কলার খোসার ভেতরের অংশটি অত্যন্ত পিচ্ছিল। অসাবধানতাবশত কোনো পথচারী এর ওপর পা দিলে মুহূর্তের মধ্যে ভারসাম্য হারিয়ে আছাড় খেয়ে পড়েন। এর ফলে হাত-পা ভাঙা, কোমর মচকানো বা মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে হাড় ফ্র্যাকচারের মতো আজীবন পঙ্গুত্বের ঝুঁকি তৈরি হয়।
মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল দুর্ঘটনা: ব্যস্ত সড়কে দ্রুতগামী মোটরসাইকেল, স্কুটি বা বাইসাইকেলের চাকা কলার খোসার ওপর পড়লে মুহূর্তেই গাড়িটি স্কিড (পিছলে) করে। এতে চালক ছিটকে পড়ে যান, যা পেছনের বড় যানবাহনের নিচে চাপা পড়ার মতো প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার জন্ম দেয়।
পরিবেশ দূষণ ও নোংরা পরিবেশ: রাস্তায় পড়ে থাকা খোসা রোদে পচে ও গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে কাদাটে আকার ধারণ করে। এটি পথচারীদের চলাচলের পথ নোংরা করার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মশা-মাছির উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়।
অথচ অপচয় হচ্ছে কলার খোসার নানাবিধ গুণাগুণ:
যে খোসা রাস্তায় ফেলে আমরা বিপদ ডেকে আনছি, সঠিক ব্যবহারে সেটি হতে পারত অত্যন্ত উপকারী উপাদান। এর কিছু প্রধান গুণাগুণ নিচে দেওয়া হলো:
১. গাছের চমৎকার জৈব সার: কলার খোসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম থাকে। এটি কুচি কুচি করে কেটে টবের মাটিতে দিলে বা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি গাছে দিলে ফুল ও ফল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
২. ত্বকের রূপচর্চায়: এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। খোসার ভেতরের অংশ ত্বকে ঘষলে ব্রণ কমে এবং বলিরেখা দূর হয়।
৩. দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে: কলার খোসার ভেতরের সাদা অংশ নিয়মিত দাঁতে ঘষলে দাঁতের হলদেটে ভাব দূর হয়ে ঝকঝকে হয়ে ওঠে।
৪. চামড়ার জুতো ও সোফা পলিশ: চামড়ার আসবাবপত্র বা জুতোয় কলার খোসা ঘষে সুতি কাপড় দিয়ে মুছে নিলে তা পলিশের মতো চকচকে হয়ে ওঠে।
আমাদের করণীয়:
রাস্তায় কলার খোসা ফেলা আইনি ও নৈতিকভাবে একটি অপরাধ। একটি ছোট অসচেতনতা যেন কারও সারাজীবনের কান্নার কারণ না হয়, সেজন্য আমাদের ডাস্টবিন ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে। নিজে সচেতন হোন এবং চারপাশ নিরাপদ রাখুন।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আমাদের অসচেতনতার কারণে নিত্যদিনের খুব সাধারণ একটি বিষয়ও কখনো কখনো মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কলা খাওয়ার পর এর খোসাটি (ছাল) ডাস্টবিনে না ফেলে যত্রতত্র বা রাস্তায় ছুড়ে ফেলার মানসিকতা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে এটিকে সাধারণ আবর্জনা মনে হলেও ব্যস্ত রাস্তায় এটি তৈরি করছে ভয়াবহ জীবননাশের ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ।
রাস্তায় কলার খোসা ফেলার মারাত্মক ঝুঁকি ও সমস্যাসমূহ।
পথচারীদের পা হড়কে যাওয়া ও পঙ্গুত্ব: কলার খোসার ভেতরের অংশটি অত্যন্ত পিচ্ছিল। অসাবধানতাবশত কোনো পথচারী এর ওপর পা দিলে মুহূর্তের মধ্যে ভারসাম্য হারিয়ে আছাড় খেয়ে পড়েন। এর ফলে হাত-পা ভাঙা, কোমর মচকানো বা মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে হাড় ফ্র্যাকচারের মতো আজীবন পঙ্গুত্বের ঝুঁকি তৈরি হয়।
মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল দুর্ঘটনা: ব্যস্ত সড়কে দ্রুতগামী মোটরসাইকেল, স্কুটি বা বাইসাইকেলের চাকা কলার খোসার ওপর পড়লে মুহূর্তেই গাড়িটি স্কিড (পিছলে) করে। এতে চালক ছিটকে পড়ে যান, যা পেছনের বড় যানবাহনের নিচে চাপা পড়ার মতো প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার জন্ম দেয়।
পরিবেশ দূষণ ও নোংরা পরিবেশ: রাস্তায় পড়ে থাকা খোসা রোদে পচে ও গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে কাদাটে আকার ধারণ করে। এটি পথচারীদের চলাচলের পথ নোংরা করার পাশাপাশি দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং মশা-মাছির উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়।
অথচ অপচয় হচ্ছে কলার খোসার নানাবিধ গুণাগুণ:
যে খোসা রাস্তায় ফেলে আমরা বিপদ ডেকে আনছি, সঠিক ব্যবহারে সেটি হতে পারত অত্যন্ত উপকারী উপাদান। এর কিছু প্রধান গুণাগুণ নিচে দেওয়া হলো:
১. গাছের চমৎকার জৈব সার: কলার খোসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম থাকে। এটি কুচি কুচি করে কেটে টবের মাটিতে দিলে বা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি গাছে দিলে ফুল ও ফল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
২. ত্বকের রূপচর্চায়: এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। খোসার ভেতরের অংশ ত্বকে ঘষলে ব্রণ কমে এবং বলিরেখা দূর হয়।
৩. দাঁতের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে: কলার খোসার ভেতরের সাদা অংশ নিয়মিত দাঁতে ঘষলে দাঁতের হলদেটে ভাব দূর হয়ে ঝকঝকে হয়ে ওঠে।
৪. চামড়ার জুতো ও সোফা পলিশ: চামড়ার আসবাবপত্র বা জুতোয় কলার খোসা ঘষে সুতি কাপড় দিয়ে মুছে নিলে তা পলিশের মতো চকচকে হয়ে ওঠে।
আমাদের করণীয়:
রাস্তায় কলার খোসা ফেলা আইনি ও নৈতিকভাবে একটি অপরাধ। একটি ছোট অসচেতনতা যেন কারও সারাজীবনের কান্নার কারণ না হয়, সেজন্য আমাদের ডাস্টবিন ব্যবহারের অভ্যাস করতে হবে। নিজে সচেতন হোন এবং চারপাশ নিরাপদ রাখুন।

0 মন্তব্যসমূহ