ঢাকা প্রতিবেদক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, “তারেক জিয়া যেন আরেকটি শেখ হাসিনা তৈরি না হন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়যুক্ত হলেও বর্তমান সরকার গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, “গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আলেম-ওলামাদের কোনো সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি। মিথ্যা মামলা ও হামলা দিয়ে তাদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছিল। পুলিশ বাহিনীর কাজ জনগণের সেবা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। কিন্তু বিগত সরকার তাদের দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে ‘লীগ বাহিনী’তে পরিণত করেছিল, যা আজ দেশের মানুষের কাছে স্পষ্ট।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বান্দরবানের লামা উপজেলা পৌর বাস টার্মিনালে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বান্দরবান দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ তৈয়ব হোসেনের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি ডা. মাওলানা শফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাইদ নোমান, ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় উলামায়ে কেরাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক আরও বলেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে তেল, বিদ্যুৎ ও সার সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। অথচ সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীরা সংসদে বসে বুক উঁচিয়ে বলেন, দেশে কোনো ঘাটতি নেই। বাস্তবে মাঠপর্যায়ে কৃষকরা সার পাচ্ছেন না, দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট রয়েছে। ফলে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
সমাবেশে বক্তারা ইসলামের মূলনীতির আলোকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও খেলাফত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
0
মন্তব্যসমূহ
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
Categories
Lorem Ipsum is simply dummy text of the printing and typesetting industry. Lorem Ipsum has been the industry's.
0 মন্তব্যসমূহ