Header Ads Widget

Responsive Advertisement

গাইবান্ধায় ৩২৫ পিস ইয়াবা ও ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার।

 










গাইবান্ধায় ৩২৫ পিস ইয়াবা ও ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার।

‎গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

‎গাইবান্ধা সদর উপজেলার সবুজপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় মোছাঃ সাথী বেগম (৩১) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় কথিত মাদক ব্যবসায়ী তার স্বামী মোঃ প্লাবন মিয়া (৪০) পালিয়ে যান।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল ও গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের টহল দলের যৌথ উদ্যোগে শনিবার ২৯ আগস্ট বিকেল-৩টার দিকে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানের অংশ হিসেবে গাইবান্ধা পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সবুজপাড়া এলাকার বিভিন্ন মাদক স্পটে অভিযান চালানো হয়। একপর্যায়ে কথিত মাদক ব্যবসায়ী প্লাবন মিয়ার বসতবাড়িতে পুলিশ উপস্থিত হলে মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় বাড়িতে থাকা মোছাঃ সাথী বেগমও কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

‎পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে প্লাবন মিয়ার বাড়ির উত্তরমুখী শয়নকক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার বিছানার তোষকের নিচ থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো দুটি নীল রঙের জিপার ব্যাগে ২০০ পিস ইয়াবা, একটি সাদা প্লাস্টিকের কৌটার ভেতর পলিথিনে মোড়ানো ১০০ পিস ইয়াবা এবং একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের কৌটার ভেতর আরও ২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৩২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

‎এ ছাড়া খাটের তোষকের নিচ থেকে বিভিন্ন মূল্যমানের নোটে মাদক বিক্রির ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, পরবর্তীতে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ আগস্ট গাইবান্ধা সদর থানার সামনে থেকে মোছাঃ সাথী বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মোঃ প্লাবন মিয়ার স্ত্রী। তার পিতার নাম মোঃ মনির হোসেন। তিনি গাইবান্ধা পৌরসভার সবুজপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

‎অপর আসামি মোঃ প্লাবন মিয়া (৪০), পিতা—মোঃ আলম মিয়া, সাং—সবুজপাড়া, থানা—গাইবান্ধা সদর, জেলা—গাইবান্ধা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্লাবন মিয়ার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় ১৫টি মাদক মামলা রয়েছে।

‎পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার সাথী বেগম ও পলাতক প্লাবন মিয়া পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন মাদকসেবীর কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে তাদের বসতবাড়িতে ইয়াবা মজুত করে রেখেছিলেন।

‎এ ঘটনায় ২৯ আগস্ট গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা নম্বর-৬৩ দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারায় করা হয়েছে।

‎পলাতক আসামি প্লাবন মিয়াকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ