Header Ads Widget

Responsive Advertisement

জামায়াত নেতা গাজী নজরুলের লালসার শিকার মরিয়ম, জামায়াত-শিবির ও এনসিপির নীরবতার মুখে রাশেদ খানের অগ্নী বর্ষণ অনলাইন


 

অললাইন ডেস্ক,
রাজধানীর ন্যাম ভবনে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের রহস্যজনক মৃত্যু ও ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফুঁসে উঠেছে দেশের সচেতন মহল। মরিয়মের এই করুণ পরিণতি হত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে দেশজুড়ে যখন নিন্দার ঝড় বইছে, তখন জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির এবং এনসিপির মতো রাজনৈতিক দলগুলোর ধূর্ত ও কাপুরুষোচিত নীরবতার চামড়া টেনে হিঁচড়ে ছিঁড়ে ফেলেছেন বিএনপি ঘরানার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাশেদ খান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী চক্রের দ্বিমুখী চরিত্রের তীব্র ও কড়া সমালোচনা করেছেন।ইসলামের দোহাই দেওয়া জামায়াত-শিবির আজ গেলি কই?নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক বিস্ফোরক পোস্টে রাশেদ খান জামায়াত-শিবিরের তথাকথিত নৈতিকতার মুখোশ পুরোপুরি উন্মোচন করে দিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় প্রশ্ন তোলেন, নিজেদের ঘরের নেতার এই জঘন্য ও ন্যাক্কারজনক অপকর্মের পর জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কেন আজ ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে আছে? রাজপথে নেমে কেন তারা স্লোগান দিচ্ছে না—'হৈ হৈ রৈ রৈ, জামায়াত-শিবির গেলি কই?' অন্য সাধারণ কোনো ঘটনা ঘটলে যারা রাজপথ কাঁপানোর ভণ্ডামো করে, তারা আজ নিজেদের নেতার এই কুকীর্তির দায় এড়াতে মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। রাশেদ খান চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, জামায়াত নেতা গাজী নজরুলের ফাঁসি ও গ্রেফতারের দাবিতে রাজপথে নামার বা লংমার্চ করার সৎ সাহস কি এই সুবিধাবাদীদের আছে? পুরো জাতি আজ তাদের এই দ্বিচারিতা গভীর ঘৃণার সাথে প্রত্যক্ষ করছে।ড্রাইভার মামার ক্ষোভ ও মা-বায়ের অতি লোভের নিকৃষ্ট দলিল:ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান ঘটনার ভেতরের এক নির্মম ও কুৎসিত সত্য সামনে এনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গাজী নজরুলের সাবেক ড্রাইভারই ছিলেন এই দুর্ভাগা মেয়েটির আপন মামা। নিজের ছোট্ট ভাগনির ওপর বুড়ো এমপির এমন অনৈতিক ও লালসার থাবা হয়তো একজন মামা হিসেবে তিনি সহ্য করতে পারেননি। কিন্তু তার চেয়েও বড় ট্র্যাজেডি হলো, মেয়েটির জন্মদাতা মা-বাবা এই ন্যাক্কারজনক ও পাপের সম্পর্ককে টাকার লোভে সাপোর্ট দিয়ে চরম অপরাধ করেছে। রাশেদ খান ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, এই নিষ্পাপ মেয়েটির জীবন ধ্বংসের জন্য জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের পাশাপাশি তার মা-বায়ের এই অন্ধ ও পৈশাচিক লোভের সর্বোচ্চ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে।তীব্র সামাজিক ক্ষোভ ও শেষ কথা:রাশেদ খানের এই রূঢ় ও আপসহীন পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখন আকাশচুম্বী। নেটিজেনরা বলছেন, দল থেকে বহিষ্কারের সস্তা নাটক সাজিয়ে জামায়াত তাদের নেতার এই কুৎসিত পাপের দায় কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। একটি তরুণী মেয়ের জীবন নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলেছে এবং যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে এই অপরাধ দেখেও বোবা সেজে আছে, তাদের আসল রূপ আজ জনগণের সামনে পরিষ্কার। অবিলম্বে এই খুনি ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ